সিলেট ১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান প্রয়াত পল ভ্যালনের স্মরণে ক্লিনটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সভা Logo সু-শিক্ষাই হল আগামী ডিজিটাল বাংলাদেশ গঁড়ার মূল চালিকাশক্তি- শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. শাহ্ মোঃ আতিকুল হক Logo মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হুমায়ুন কবির হিরু মারা গেছেনপ্রয়ানে প্রবাসীদের শোক Logo সিলেটে তৃণমূল নারী  উদ্দ্যোক্তা সোসাইটির  সংবর্ধনা Logo নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে তৃণমূল নারীউদ্যোক্তা সোসাইটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo ইসলামপুরে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগে বিদ্যালয় ভিত্তিক সচেতনমূলক সভা Logo “মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রলীগের রিইউনিয়ন কমিটি ইউকের সভা অনুষ্টিত, Logo “অর্গ্যানাইজেশন ফর দ্য রিকগনিশন অব বাংলার প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড.তোজাম্মেল টনি হক আর নেই,, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ, Logo বিশ্ব মা দিবস-সব মায়েদের জন্য অফুরন্ত শ্রদ্ধা ও ভালবাসা Logo ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কর্ম জীবন থেকে অনেক শিক্ষনীয় আছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক

অটিজম সচেতনতায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অগ্রগামী: ইয়াঙ্গুনে অটিজম দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,সিনিয়র প্রতিনিধিঃমিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মনোয়ার হোসেন বলেছেন যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বর্তমান আঞ্চলিক পরিচালক এবং নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার ও অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অটিজম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইয়াঙ্গুন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মিসেস ওয়াজেদের নিরলস প্রচেষ্টায়, বাংলাদেশ ২০১১ সালে ঢাকায় অটিজম বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে এবং ২০১৭ সালে থিম্পুতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করে। রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দেশে অটিজম ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। তিনি গত এক দশকে জাতিসংঘসহ সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে মিসেস ওয়াজেদের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন।খবর বাপসনিউজ ।

দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘moving from surviving to thriving’ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত প্রাসঙ্গিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলি যথা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা (লক্ষ্য ৩), মানসম্মত শিক্ষা (লক্ষ্য ৪), অন্তর্ভুক্তিমূলক চাকরির সুযোগ (লক্ষ্য ৮) এবং অটিজম সহ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিকাশের ক্ষেত্রে অসমতা হ্রাস (লক্ষ্য ১০) আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে সুইডেন দূতাবাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, মায়ানমার স্পেশাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন এবং একজন অভিভাবকের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রাথমিক পর্যায়ে অটিজম সনাক্তকরণ এবং ত্বরিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা, বৈষম্য প্রতিরোধ এবং চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলায় যত্নশীল থাকা এবং সংশ্লিষ্ট শিশুর পিতামাতাকে সমর্থন যোগানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

কূটনীতিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ-এর প্রতিনিধিগণ, শিক্ষাবিদ, ইউনিভার্সিটি অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব এডুকেশনের রেক্টর, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিয়ানমার অটিজম এসোসিয়েশন, বিশেষ শিশু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারী সংস্থাসমূহ, দূতাবাসের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধি, প্রতিবন্ধী শিশু ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটির অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪: ‘moving from surviving to thriving’” বিষয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের উপস্থাপনা, ভিডিও ডকুমেন্টারি পরিবেশন এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ উপলক্ষ্যে গতকাল রাতে দূতাবাস নীল আলোয় আলোকিত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান প্রয়াত পল ভ্যালনের স্মরণে ক্লিনটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সভা

অটিজম সচেতনতায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অগ্রগামী: ইয়াঙ্গুনে অটিজম দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ১২:১০:৫৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,সিনিয়র প্রতিনিধিঃমিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মনোয়ার হোসেন বলেছেন যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বর্তমান আঞ্চলিক পরিচালক এবং নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার ও অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অটিজম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইয়াঙ্গুন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মিসেস ওয়াজেদের নিরলস প্রচেষ্টায়, বাংলাদেশ ২০১১ সালে ঢাকায় অটিজম বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে এবং ২০১৭ সালে থিম্পুতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করে। রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দেশে অটিজম ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। তিনি গত এক দশকে জাতিসংঘসহ সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে মিসেস ওয়াজেদের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন।খবর বাপসনিউজ ।

দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘moving from surviving to thriving’ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত প্রাসঙ্গিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলি যথা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা (লক্ষ্য ৩), মানসম্মত শিক্ষা (লক্ষ্য ৪), অন্তর্ভুক্তিমূলক চাকরির সুযোগ (লক্ষ্য ৮) এবং অটিজম সহ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিকাশের ক্ষেত্রে অসমতা হ্রাস (লক্ষ্য ১০) আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে সুইডেন দূতাবাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, মায়ানমার স্পেশাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন এবং একজন অভিভাবকের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রাথমিক পর্যায়ে অটিজম সনাক্তকরণ এবং ত্বরিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা, বৈষম্য প্রতিরোধ এবং চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলায় যত্নশীল থাকা এবং সংশ্লিষ্ট শিশুর পিতামাতাকে সমর্থন যোগানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

কূটনীতিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ-এর প্রতিনিধিগণ, শিক্ষাবিদ, ইউনিভার্সিটি অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব এডুকেশনের রেক্টর, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিয়ানমার অটিজম এসোসিয়েশন, বিশেষ শিশু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারী সংস্থাসমূহ, দূতাবাসের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধি, প্রতিবন্ধী শিশু ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটির অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪: ‘moving from surviving to thriving’” বিষয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের উপস্থাপনা, ভিডিও ডকুমেন্টারি পরিবেশন এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ উপলক্ষ্যে গতকাল রাতে দূতাবাস নীল আলোয় আলোকিত করা হয়।