সিলেট ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান প্রয়াত পল ভ্যালনের স্মরণে ক্লিনটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সভা Logo সু-শিক্ষাই হল আগামী ডিজিটাল বাংলাদেশ গঁড়ার মূল চালিকাশক্তি- শাবিপ্রবি অধ্যাপক ড. শাহ্ মোঃ আতিকুল হক Logo মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হুমায়ুন কবির হিরু মারা গেছেনপ্রয়ানে প্রবাসীদের শোক Logo সিলেটে তৃণমূল নারী  উদ্দ্যোক্তা সোসাইটির  সংবর্ধনা Logo নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে তৃণমূল নারীউদ্যোক্তা সোসাইটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo ইসলামপুরে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগে বিদ্যালয় ভিত্তিক সচেতনমূলক সভা Logo “মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রলীগের রিইউনিয়ন কমিটি ইউকের সভা অনুষ্টিত, Logo “অর্গ্যানাইজেশন ফর দ্য রিকগনিশন অব বাংলার প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড.তোজাম্মেল টনি হক আর নেই,, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ, Logo বিশ্ব মা দিবস-সব মায়েদের জন্য অফুরন্ত শ্রদ্ধা ও ভালবাসা Logo ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কর্ম জীবন থেকে অনেক শিক্ষনীয় আছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক

ফ্লোরিডায় নাবালকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে আইন

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,সিনিয়র প্রতিনিধিঃসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে কিছু দিন ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি বাইডেন সরকার সেখানে টিকটক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে। তারই মধ্যে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর রন ডিস্যানটিস সোমবার জানিয়ে দিলেন, নাবালকরা যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর ব্যবহার করতে না পারে, তা নিয়ে একটি আইনে তিনি সই করেছেন।খবর বাপসনিউজ ।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর হবে। ১৩ বছর না হলে আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না সেখানে।

আইনে বলা হয়েছে, ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে না। ১৪ ও ১৫ বছরের বালক-বালিকারা অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে, কিন্তু তার জন্য মা-বাবার অনুমতি নিতে হবে।

ফ্লোরিডার স্থানীয় সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে এই আইন মা-বাবাকে বাচ্চা বড় করতে সাহায্য করবে।

অনেক দিন ধরেই ফ্লোরিডায় এই বিলটি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। রাজ্যের স্পিকার পল রেনার চেয়েছিলেন, ১৬ বছরের নিচে কোনো নাবালক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। সেই প্রস্তাব খারিজ হলেও তার কাছাকাছি একটি প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত আইনের চেহারা পেয়েছে।

এদিন রেনার বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভরে আছে শিশুকামী ও পাচারকারীতে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে নাবালকদের উত্তেজিত করে এবং অন্ধকার জগতের দিকে টেনে নিয়ে যায়।’ শুধু তা-ই নয়, তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বাড়ন্ত শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এটা এক ধরনের নেশা তৈরি করে, যা বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

এই বিলটি নিয়ে বিতর্কের সময় দুটি বিষয় সামনে এসেছিল।

একদিকে শিশু-সুরক্ষা, অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের অধিকার এভাবে ছিনিয়ে নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে, শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তা-ই তাকেই সবার আগে গুরুত্ব দিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান প্রয়াত পল ভ্যালনের স্মরণে ক্লিনটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সভা

ফ্লোরিডায় নাবালকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে আইন

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,সিনিয়র প্রতিনিধিঃসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে কিছু দিন ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি বাইডেন সরকার সেখানে টিকটক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে। তারই মধ্যে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর রন ডিস্যানটিস সোমবার জানিয়ে দিলেন, নাবালকরা যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর ব্যবহার করতে না পারে, তা নিয়ে একটি আইনে তিনি সই করেছেন।খবর বাপসনিউজ ।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর হবে। ১৩ বছর না হলে আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না সেখানে।

আইনে বলা হয়েছে, ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে না। ১৪ ও ১৫ বছরের বালক-বালিকারা অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে, কিন্তু তার জন্য মা-বাবার অনুমতি নিতে হবে।

ফ্লোরিডার স্থানীয় সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে এই আইন মা-বাবাকে বাচ্চা বড় করতে সাহায্য করবে।

অনেক দিন ধরেই ফ্লোরিডায় এই বিলটি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। রাজ্যের স্পিকার পল রেনার চেয়েছিলেন, ১৬ বছরের নিচে কোনো নাবালক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। সেই প্রস্তাব খারিজ হলেও তার কাছাকাছি একটি প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত আইনের চেহারা পেয়েছে।

এদিন রেনার বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভরে আছে শিশুকামী ও পাচারকারীতে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে নাবালকদের উত্তেজিত করে এবং অন্ধকার জগতের দিকে টেনে নিয়ে যায়।’ শুধু তা-ই নয়, তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বাড়ন্ত শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এটা এক ধরনের নেশা তৈরি করে, যা বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

এই বিলটি নিয়ে বিতর্কের সময় দুটি বিষয় সামনে এসেছিল।

একদিকে শিশু-সুরক্ষা, অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের অধিকার এভাবে ছিনিয়ে নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে, শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তা-ই তাকেই সবার আগে গুরুত্ব দিতে হবে।